রংপুর সদর উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়নের খারুয়া বাঁধা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিক্ষোভ করেন।
সকাল ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করলে এতে অভিভাবকরাও যোগ দেন। অভিযোগ উঠেছে, রায়হান বাদশা নামে ওই কর্মচারী গত রবিবার সকালে বিদ্যালয়ে ফাঁকা সময়ে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দ্বিতীয় তলায় ডেকে নিয়ে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানি করে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা জানান, এর আগেও ওই কর্মচারী এমন অপকর্মে জড়িত ছিলেন।
বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের পরিবেশ নিরাপদ নয়। প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব অবহেলা করেছেন বলেও তারা অভিযোগ তোলেন। এক পর্যায়ে তারা প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করলে আন্দোলন আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে প্রধান শিক্ষক সাখওয়াত আলী অভিযুক্ত কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেন এবং সাত সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
প্রধান শিক্ষক বলেন, “আমি এর আগে এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাইনি। আজ আন্দোলনের সময় অভিযোগ পেয়ে ইউএনও স্যারের সাথে পরামর্শ করে অভিযুক্তকে সাময়িক বরখাস্ত করেছি। তদন্ত কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।”
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিদ্যালয়ের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েই তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে সাময়িক বরখাস্ত করেছি। তদন্ত শেষে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য বোর্ডে সুপারিশ পাঠানো হবে।”
এ বিষয়ে স্থানীয় অভিভাবক সদস্য লেবু চৌধুরী বলেন, “অপরাধী যেই হোক না কেন, শাস্তি অবশ্যই হতে হবে। এ ধরনের লম্পট কোনো অবস্থাতেই প্রতিষ্ঠানে থাকতে পারে না।”
অনুসন্ধানী সংবাদ ডেস্ক নিউজ 











