রংপুরে আইপিএম কৌশলের মাধ্যমে ক্লাস্টার প্রদর্শনী ও কৃষকদের ফিল্ড ওরিয়ান্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) রংপুর সদর উপজেলার চন্দনপাট ইউনিয়নের ডাক্তারপাড়া গ্রামে ৫০ জন কৃষকদের নিয়ে এই ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পার্টনার প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত প্রদর্শনীতে এই ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রংপুর জেলা উপপরিচালক, কৃষিবিদ জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার, আবু মোঃ মনিরুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সুমাইয়া বিনতি আব্দুল ওয়াদুদ, উপসহকারী কৃষি অফিসার প্রমিত।

ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে কৃষিবিদ জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভুট্টা, আলু ফসলগুলো চাষ করলে মাটির অম্লত্ব বেড়ে যায় ফলে প্রচুর পরিমাণে জৈবসার ব্যবহার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বসতবাড়িতে গোবর সার সঠিকভাবে সংরক্ষনের স্থানে অবশ্যই টিন বা সেড দিতে হবে তা না হলে বৃষ্টির পানির সাথে উদ্ভিদের পুষ্টি উৎপাদন মাটির নিচে লিচিং হয়ে চলে যাবে। তিনি আরও বলেন ৩ বছর পরপর জমির মাটির অবস্থাভেদে ৩-৪ কেজি ডলোচুন প্রতি শতকে ব্যবহার করলে মাটির অম্লত্ব কমিয়ে আনা যায়।
প্রদর্শনী কৃষক বাবলু কুমার সরকার জানান, প্রদর্শনীর অন্যান্য উপকরণ এর পাশাপাশি উপজেলা কৃষি অফিস ১৫০ কেজি কেঁচো সার ও ৫ কেজি হিউমিস্টার সার দিয়ে ছিলো যা মাটির জন্য খুবই উপকারি। এছাড়াও জৈব বালাইনাশক দেয়ায় কোন রাসায়নিক বালাইনাশক স্প্রে করার দরকার হয়নি।
আলাউদ্দিন কবির, বিশেষ প্রতিনিধি 


