Dhaka 8:00 am, Wednesday, 24 June 2026

রংপুরে ভিআইপি শাহাদাৎ হোসেন পোল্ট্রি ফার্মের বিষাক্ত বর্জ্যে বিপর্যস্ত জনজীবন; এলাকাবাসীর মানববন্ধ

রংপুরে ভিআইপি শাহাদাৎ হোসেন পোল্ট্রি ফার্মের বিষাক্ত বর্জ্যে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে আশপাশের জনজীবন। শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে দক্ষিণ মমিনপুরের হল্লারপাড় এলাকায় পোল্ট্রি ফার্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।

সদর উপজেলার চন্দনপাট, মমিনপুর ও বদরগন্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন সহ ত্রি সীমানায় গড়ে উঠা এই পোল্ট্রি খামারের স্বত্বাধিকারী ভিআইপি শাহাদাৎ হোসেন।
মানববন্ধনে এলাকাবাসী দাবি করেন, খামারের  বর্জ্য নিষ্কাশনের যথোপযুক্ত ব্যাবস্থা না থাকায় এই বিষাক্ত বর্জ্য খোলা আকাশের নীচে তীর্ব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বেড়েছে মশা-মাছি। এলাকাবাসী ভাত খায় মশারি ফেলে। শিশু বৃদ্ধরা অসুস্থ হয় প্রতিনিয়ত। কোন আত্নীয় স্বজন এই এলাকায় আসতে চায় না জানায় এলাকাবাসী। এখানেই শেষ নয়।  বিষাক্ত বর্জ্য পার্শ্ববর্তী সরকারি ক্যানেলে সংযুক্ত হয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি জমির ফসল। মারা যাচ্ছে দেশীয় মাছ।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, পার্শ্ববর্তী গোপালপুর ইউনিয়নে সরকারী সম্পত্তি চল্লিশ একরের নান্দিনা বিলে দেখা গেছে এই নিষ্কাশিত বর্জ্য পানির সাথে মিশে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার মাছ মারা যায়। মৎস্যজীবি মানুষের আহাজারি, আমরা কেথায় অভিযোগ করবো। খামার কর্তৃপক্ষ বছরের পর বছর কোন পদক্ষেপ নেয়নি এলাকাবাসীর অভিযোগ সত্বেও।

খামারের পার্শে একটি গণকবর রয়েছে সেখানে পৌঁছার কোন পরিবেশ নেই। স্থানীয় প্রশাসন কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তর এসবের কোন তোয়াক্কাই করেনা রহস্যজনক কারনে।

Tag :
Popular Post

রংপুরে ভিআইপি শাহাদাৎ হোসেন পোল্ট্রি ফার্মের বিষাক্ত বর্জ্যে বিপর্যস্ত জনজীবন; এলাকাবাসীর মানববন্ধ

Update Time : 01:05:40 pm, Monday, 1 September 2025

রংপুরে ভিআইপি শাহাদাৎ হোসেন পোল্ট্রি ফার্মের বিষাক্ত বর্জ্যে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে আশপাশের জনজীবন। শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে দক্ষিণ মমিনপুরের হল্লারপাড় এলাকায় পোল্ট্রি ফার্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।

সদর উপজেলার চন্দনপাট, মমিনপুর ও বদরগন্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন সহ ত্রি সীমানায় গড়ে উঠা এই পোল্ট্রি খামারের স্বত্বাধিকারী ভিআইপি শাহাদাৎ হোসেন।
মানববন্ধনে এলাকাবাসী দাবি করেন, খামারের  বর্জ্য নিষ্কাশনের যথোপযুক্ত ব্যাবস্থা না থাকায় এই বিষাক্ত বর্জ্য খোলা আকাশের নীচে তীর্ব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বেড়েছে মশা-মাছি। এলাকাবাসী ভাত খায় মশারি ফেলে। শিশু বৃদ্ধরা অসুস্থ হয় প্রতিনিয়ত। কোন আত্নীয় স্বজন এই এলাকায় আসতে চায় না জানায় এলাকাবাসী। এখানেই শেষ নয়।  বিষাক্ত বর্জ্য পার্শ্ববর্তী সরকারি ক্যানেলে সংযুক্ত হয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি জমির ফসল। মারা যাচ্ছে দেশীয় মাছ।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, পার্শ্ববর্তী গোপালপুর ইউনিয়নে সরকারী সম্পত্তি চল্লিশ একরের নান্দিনা বিলে দেখা গেছে এই নিষ্কাশিত বর্জ্য পানির সাথে মিশে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার মাছ মারা যায়। মৎস্যজীবি মানুষের আহাজারি, আমরা কেথায় অভিযোগ করবো। খামার কর্তৃপক্ষ বছরের পর বছর কোন পদক্ষেপ নেয়নি এলাকাবাসীর অভিযোগ সত্বেও।

খামারের পার্শে একটি গণকবর রয়েছে সেখানে পৌঁছার কোন পরিবেশ নেই। স্থানীয় প্রশাসন কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তর এসবের কোন তোয়াক্কাই করেনা রহস্যজনক কারনে।