Dhaka 11:01 am, Thursday, 15 January 2026

তারাগঞ্জ ও/এ কামিল মাদ্রাসায় নিয়োগে অনিয়ম ও সাংবাদিককে হেনস্তা—অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

 

রংপুরের তারাগঞ্জ ও/এ কামিল মাদ্রাসার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, গোপন বাণিজ্য, স্বেচ্ছাচারিতা এবং সাংবাদিক হেনস্তার অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে মাদ্রাসার সামনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এস এম আব্দুস সালাম চারটি শূন্য পদ—অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, নিরাপত্তা কর্মী, নৈশ্যপ্রহরী ও আয়া—মাসের পর মাস শূন্য রেখেও ‘গোপনে’ নিয়োগের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম গত ২০ নভেম্বর নাম-সর্বস্ব একটি অখ্যাত পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন এবং মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়। কিন্তু বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়টি মাদ্রাসার অধিকাংশ শিক্ষকই জানতেন না। কেউ জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং কোন পত্রিকায়, কবে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে সে তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। প্রচারণা না থাকায় স্থানীয় বেকার তরুণরা আবেদন করার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হন।

এ ব্যাপারে গত ৯ ডিসেম্বর কয়েকজন সাংবাদিক তথ্য জানতে চাইলে অধ্যক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং অপমানজনক ভাষায় কথা বলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দুই সাংবাদিককে হেনস্তা করেন এবং সংবাদ প্রকাশ বন্ধ রাখতে টাকার প্রস্তাব দেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা অধ্যক্ষ এস এম আব্দুস সালামের অপসারণ, গোপন নিয়োগ বাতিল এবং নতুন করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানান। পরে অংশগ্রহণকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে রংপুর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন।

Tag :

তারাগঞ্জ ও/এ কামিল মাদ্রাসায় নিয়োগে অনিয়ম ও সাংবাদিককে হেনস্তা—অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

Update Time : 08:22:25 pm, Thursday, 11 December 2025

 

রংপুরের তারাগঞ্জ ও/এ কামিল মাদ্রাসার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, গোপন বাণিজ্য, স্বেচ্ছাচারিতা এবং সাংবাদিক হেনস্তার অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে মাদ্রাসার সামনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এস এম আব্দুস সালাম চারটি শূন্য পদ—অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, নিরাপত্তা কর্মী, নৈশ্যপ্রহরী ও আয়া—মাসের পর মাস শূন্য রেখেও ‘গোপনে’ নিয়োগের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম গত ২০ নভেম্বর নাম-সর্বস্ব একটি অখ্যাত পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন এবং মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়। কিন্তু বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়টি মাদ্রাসার অধিকাংশ শিক্ষকই জানতেন না। কেউ জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং কোন পত্রিকায়, কবে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে সে তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। প্রচারণা না থাকায় স্থানীয় বেকার তরুণরা আবেদন করার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হন।

এ ব্যাপারে গত ৯ ডিসেম্বর কয়েকজন সাংবাদিক তথ্য জানতে চাইলে অধ্যক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং অপমানজনক ভাষায় কথা বলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দুই সাংবাদিককে হেনস্তা করেন এবং সংবাদ প্রকাশ বন্ধ রাখতে টাকার প্রস্তাব দেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা অধ্যক্ষ এস এম আব্দুস সালামের অপসারণ, গোপন নিয়োগ বাতিল এবং নতুন করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানান। পরে অংশগ্রহণকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে রংপুর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন।