Dhaka 10:23 am, Saturday, 27 June 2026

রংপুরের দর্শনায় ভেজাল গুড় উৎপাদন, ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, কারখানা সিলগালা

রংপুর মহানগরীর দর্শনায় ভেজাল গুড় উৎপাদনের অভিযোগে মেসার্স ‘মা-বাবার দোয়া’ গুড় কারখানার মালিক নুর মোহাম্মদকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে রংপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে রংপুর জেলা প্রশাসন ও পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।

অভিযানের সময় কারখানায় বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক পদার্থ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল কালার, পচা মিষ্টি ও নিম্নমানের উপাদান ব্যবহার করে গুড় তৈরির প্রমাণ মেলে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম বলেন, “মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর উপায়ে অবৈধ উপাদান ব্যবহার করে গুড় উৎপাদন করা হচ্ছিল। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুসারে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান চলমান থাকবে। মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে এমন কোনো প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই কারখানায় ভেজাল গুড় উৎপাদন করা হচ্ছিল, যা বিভিন্ন হাটবাজারে ছড়িয়ে পড়ছিল।

Tag :
Popular Post

রংপুরের দর্শনায় ভেজাল গুড় উৎপাদন, ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, কারখানা সিলগালা

Update Time : 07:48:14 pm, Thursday, 9 October 2025

রংপুর মহানগরীর দর্শনায় ভেজাল গুড় উৎপাদনের অভিযোগে মেসার্স ‘মা-বাবার দোয়া’ গুড় কারখানার মালিক নুর মোহাম্মদকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে রংপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে রংপুর জেলা প্রশাসন ও পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।

অভিযানের সময় কারখানায় বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক পদার্থ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল কালার, পচা মিষ্টি ও নিম্নমানের উপাদান ব্যবহার করে গুড় তৈরির প্রমাণ মেলে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম বলেন, “মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর উপায়ে অবৈধ উপাদান ব্যবহার করে গুড় উৎপাদন করা হচ্ছিল। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুসারে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান চলমান থাকবে। মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে এমন কোনো প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই কারখানায় ভেজাল গুড় উৎপাদন করা হচ্ছিল, যা বিভিন্ন হাটবাজারে ছড়িয়ে পড়ছিল।